মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ঋণ ব্যবস্থা

ঋণ ব্যবস্থা ল্যাটিন শব্দ ‘ক্রেডে’ (সংস্কৃত-ল্যাটিন ক্রাড) থেকে উদ্ভূত ইংরেজি ক্রেডিট শব্দটি অর্থনীতিতে ঋণ বোঝালেও এর অর্থ আসলে কোনো এক জনের (সংস্থার) প্রতি অন্যের আস্থা। ঋণ বা ধার অর্থে ক্রেডিট হচ্ছে পরে মূল্য ফেরত পাওয়া যাবে এ বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে অর্থ বা পণ্য দিয়ে দেওয়া (বিক্রয় করা)। অধিকাংশ ঋণই বস্ত্তত আর্থিক ঋণ, যাতে পাওনাদার প্রথমে দেনাদারকে কোনো একটি পরিমাণ অর্থ ধার দেয় এবং পরবর্তী সময়ে  সুদসহ প্রদত্ত অর্থ ফেরত আদায় করে। আবার ক্রেডিট শব্দটি ঋণের পাশাপাশি ঋণগ্রহীতার ঋণ পরিশোধ ক্ষমতাও বোঝায়।

ঋণের বিবর্তনের ইতিহাস সুদীর্ঘ। সুদূর অতীতে, চাষবাস ও বিনিময় অর্থনীতির সূচনাকালে উদ্বৃত্ত চাষিরা ঘাটতি চাষিদের ধারেখাদ্যশস্য ও বীজ যোগান দিত এবং পরবর্তী সময়ে, ফসলের মৌসুমে প্রদত্ত পরিমাণের ওপর কিছুটা বাড়তি ধরে মোট পাওনা ফেরত আদায় করত। অর্থনীতির মুদ্রায়ন তথা টাকার বিনিময়ে পণ্য ও সেবা লেনদেন চালু হওয়ার পর থেকে ধারে ক্রয়-বিক্রয় ব্যবস্থার দ্রুত বিকাশ ঘটতে থাকে। পণ্য কেনাবেচায় নগদ ঋণ বা ব্যবসা ঋণ (trade credit)-এর পাশাপাশি অন্যান্য চাহিদা পূরণের জন্য অর্থের প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংক ও নানা ধরনের  অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ঋণ-পদ্ধতি বিকশিত হতে থাকে। তবে ঋণ ব্যবস্থার বিকাশে যাদের ভূমিকা বিশেষ অগ্রগণ্য তারা হচ্ছে দেশি মহাজন,  স্বর্ণকার ও বণিকশ্রেণী।

ঋণ শ্রেণিকরণের জন্য বিভিন্ন ভিত্তি ও পদ্ধতি রয়েছে। সাধারণভাবে প্রযোজ্য কয়েকটি ভিত্তি হচ্ছে ঋণগ্রহীতা ও ঋণদাতার ধরন, ঋণের উদ্দেশ্য এবং ঋণের মেয়াদ। ঋণগ্রহীতার ধরন অনুযায়ী ঋণ ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক বা বাণ